সবগুলো দরুদ শরীফ Pdf Book (ডাউনলোড)

নামাযের মধ্যে শেষ রাকাতে নামাজের শেষে বসা অবস্থায় দুরূদ শরীফ পাঠ করতে হয়। durood sharif bangla- দুরুদ শরীফ বাংলা উচ্চারণ-

আরবি উচ্চারণঃ

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ

বাংলা অর্থ: “হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাললাম) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর ঐরূপ রহমত/প্রশংসা অবতীর্ণ কর যেইরূপ রহমত/প্রশংসা হযরত ইব্রাহিম এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর অবতীর্ণ করিয়াছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসা ভাজন এবং মহামহিম। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাললাম) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর সেইরূপ অনুগ্রহ কর যে রূপ অনুগ্রহ ইব্রাহীম এবং তাঁহার বংশরগণের উপর করিয়াছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসা ভাজন এবং মহামহিম।”

নিয়ে নিন সবগুলো দরুদ শরীফ pdf ডাউনলোড

গুরুত্বপূর্ণ সবগুলো দরুদ শরীফ বাংলা পিডিএফ ডাউনলোড করে নিন।
ছোট দরুদ শরীফ pdf সমূহ-

চল্লিশটি মর্যাদাপূর্ণ দরূদ শরীফ

লেখক : ডক্টর এ.এস.এম ইউসূফ জিলানী
ভাষা : বাংলা
পাতা : ২৪
দাম: ৫০ টাকা
সর্বশেষ মুদ্রণ: নভেম্বর ২০১৮

ডাউনলোড Now

ডাউনলোড ফাজায়েলে দরূদ পিডিএফ লিংক

বইটি অনেক গুছানো তবে আরবি উচ্চারণ গুলো বাংলা অনুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে সঠিক নয় বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়। এই অনুযায়ী আমল করলে অনেক উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ লেখক যিনি এত পরিশ্রম করে এটি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আল্লাহতালা তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
 
 fazail sadaqat bangla PDF link-

দরুদ শরীফ পড়ার নিয়ম

১। দরুদ শরীফ অত্যন্ত আন্তরিকতা ও ভালোবাসার সঙ্গে খুব ধীরস্থিরভাবে পড়া উচিত।
২। জীবনে একবার দরুদ-সালাম পাঠ করা ফরজে আইন।
৩। নবীজি (সা.) এর নাম এক বৈঠকে বারবার লিখলে প্রথমবার দরুদ লিখা আবশ্যক (ওয়াজিব)
৪। দরুদ শরীফ পড়ার সময় অধিক নড়াচড়া, মাথা দুলানো, চিৎকার বা উঁচু আওয়াজ করা যাবে না।
৫। নবীজির রওজা শরিফ জিয়ারত ও তার নাম বলা বা শোনার সময়।
৬। দোয়া বা মোনাজাতের আগে ও পরে।
৭। একই বৈঠকে একাধিকবার নবী (সা.)-এর নাম উচ্চারিত হলে প্রথমবার সবার জন্য দরুদ পাঠ করা আবশ্যক (ওয়াজিব)
৮। আজানের পর দোয়ার আগে।
৯। অজুর শেষে, চিঠিপত্র বা অন্য কিছু লিখার আগে।
১০। মসজিদে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময়।
১১। কোরআন তেলাওয়াত বা অন্য কোনো বইপুস্তক পাঠের আগে।
১২। অজু ছাড়া যে দুরূদ পড়া যাবে না এমন নয়। যে কোনো অবস্থায় দরুদ শরীফ পাঠ করা যাবে। বিশেষ করে অজু অবস্থায় এবং আদবের সঙ্গে দরুদ পড়া উত্তম।
১৩। কোনো বৈঠক থেকে ওঠার সময়।
১৪। দুনিয়া আখিরাতের কল্যাণ ও সব রকমের বিপদ আপদ, বালা মুসিবত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সব সময় বেশি করে দরুদ পড়ুন।
১৫। জুমা বা ঈদের খুতবায় নবী (সা.) এর নাম এলে মনে মনে দরুদ পড়বে, মুখে উচ্চারণ করবে না। এছাড়া নিম্নোক্ত অবস্থায় দরূদ পড়া যাবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *